Uncategorized

অনশনরত সামিউলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, বিছানায় আগুন

সামিউলের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্র থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপাচার্য নুরুল আলমের বাসভবনের সামনে রাত সোয়া ১২টায় অবস্থান নেন প্রগতিশীল শিক্ষার্থীরা। এ সময় তাঁদের সঙ্গে ছিলেন সামিউলও। পরে তাঁকে আবার চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়।

সামিউল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের ৪৯ ব্যাচ ও মীর মশাররফ হোসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। গত বুধবার রাত থেকে তিনি মীর মশাররফ হোসেন হলের খেলার মাঠে অবস্থান নেন। তবে মঙ্গলবার সকাল থেকে তিনি হলের অফিসকক্ষের সামনে অবস্থান নেন। তাঁর অন্য দাবি দুটি হলো গণরুম বিলুপ্ত করা এবং মিনি গণরুমে অবস্থান করা শিক্ষার্থীদের আসন নিশ্চিত করা।

মঙ্গলবার দুবার সামিউলের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রের উপপ্রধান মেডিকেল কর্মকর্তা রিজওয়ানুর রহমান। হাসপাতালে গিয়ে সামিউলকে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করেন তিনি। প্রথম আলোকে রিজওয়ানুর বলেন, ‘আজ (মঙ্গলবার) দুবার আমি তাকে (সামিউলকে) দেখেছি। তার রক্তচাপ ১০০/৬০ পর্যায়ে আছে। ওই শিক্ষার্থীর ডিহাইড্রেশন (পানিশূন্যতা) হয়েছে। তাকে দ্রুত হাসপাতালে গিয়ে কয়েকটি পরীক্ষা করার জন্য বলেছি। পানিশূন্যতা হলে ইন্টারনাল অনেক ধরনের সমস্যা তার হতে পারে।’

জবাবে সামিউল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেছিলেন, ‘আমার দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হাসপাতালে যাওয়া দূরে থাক, সামান্য চিকিৎসাও নেব না। আমার দাবি শিক্ষকেরা মানবেন, দৃশ্যমান করবেন, তারপরই কেবল চিকিৎসা নেব। আমি অনশনে বসেছি, আমি জানি আমার কী হতে পারে। প্রশাসন আমাকে বারবার আশ্বাস দিয়েও কার্যকর কিছু করছে না।’

Related Articles

Back to top button