Uncategorized

তানিয়ার মৃত্যু ঠেকানো যায়নি, এমন অবহেলায় অনেকে

তানিয়ার শ্বশুর বিল্লাল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম কাউনিয়ায়। ২২ মে রাত ১২টার দিকে তানিয়ার অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে তাঁকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেন তাঁরা। সেখান থেকে শহরের সরকারি হাসপাতালে (২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, চাঁদপুর, তবে তাঁর স্ত্রী বলছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স) যান। পরদিন ২৩ মে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনেন তাঁরা।
স্বামী সোহাগ হোসেন (২৩) আসেননি কেন জানতে চাইলে তানিয়ার শ্বশুর বলেন, তাঁর ছেলে গেঞ্জি কারখানায় কাজ করতেন।

এক বছর ধরে বেকার। এখন সৌদি আরব যাওয়ার চেষ্টা করছেন, টাকা জমা দেওয়ার তারিখ থাকায় আসতে পারেননি। হাড্ডিসার তানিয়াকে গর্ভধারণের পর ঠিকমতো খাওয়ানো হয়েছিল কি না জানতে চাইলে শ্বশুর বলেন, ‘না খাইতে চাইলে কী করব! আমার ঘরে যা ছিল, তা তো দেওয়া হইছেই।’ তিনি বলেন, দুই বছর আগে পারিবারিকভাবে সোহাগ ও তানিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় তানিয়া এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন, বিয়ের পর আর পড়েননি।

Related Articles

Back to top button